শ্রী শ্রী কেন্দ্রীয় তপোবন আশ্রম
সনাতন ধর্মের শাশ্বত বাণী প্রচার, চণ্ডীমহাযজ্ঞ, যোগসাধনা, চরিত্র গঠন এবং আর্তমানবতার সেবায় নিবেদিত এক আন্তর্জাতিক আধ্যাত্মিক আলোকবর্তিকা।
পরম পূজনীয় মহারাজবৃন্দের প্রতিকৃতি ও পরিচয়
যাঁদের ত্যাগ, অলৌকিক সাধনা ও নির্দেশনায় তপোবন আশ্রম সনাতনীদের শ্রদ্ধার সর্বোচ্চ শিখরে অধিষ্ঠিত।
শ্রীমৎ স্বামী সুরেশ্বরানন্দ পুরী মহারাজ
পরম পূজ্য শ্রীমৎ স্বামী সুরেশ্বরানন্দ পুরী গুরু মহারাজ ছিলেন একজন ত্রিকালদর্শী মহাযোগী ও আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ। তাঁর সুদীর্ঘ কৃচ্ছ্রসাধন ও পরম সাধনার ফলে ১৯৬৫ সালে তপোবন আশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়।
জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের অন্তরে ভগবৎ-প্রেম জাগ্রত করা এবং চণ্ডীমহাযজ্ঞের মাধ্যমে ধরত্রীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল দিশারী ছিলেন তিনি। তাঁর পুণ্যময় আদর্শ আজও তপোবনের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে বহমান।
শ্রী শ্রী যোগী প্রাঞ্জলানন্দ পুরী মহারাজ
প্রতিষ্ঠাতা গুরু মহারাজের মহান ঐতিহ্যকে ধারণ করে আশ্রমকে বর্তমান বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিচ্ছেন শ্রী শ্রী যোগী প্রাঞ্জলানন্দ পুরী মহারাজ।
তাঁর অনুপ্রেরণাদায়ী আধ্যাত্মিক প্রবচন, গীতা মাহাত্ম্য প্রচার এবং যুবসমাজকে নৈতিক চরিত্রে গড়ে তোলার উদ্যোগ আজ লাখো ভক্তকে আলোকিত করছে। তিনি নিয়মিত চণ্ডীমহাযজ্ঞ পরিচালনা ও আর্তমানবতার সেবায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।
শ্রী শ্রী চণ্ডীমহাযজ্ঞ ও নিত্য সাধনা
তপোবন আশ্রম প্রাঙ্গণে প্রতিবছর বৈদিক রীতি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয় পরম পবিত্র চণ্ডীমহাযজ্ঞ ও গায়ত্রী হোমযজ্ঞ। বিশ্বশান্তি, সকল জীবের মঙ্গল এবং পাপ ও অশুভ শক্তির বিনাশের জন্য অগ্নিহোত্র যজ্ঞে আহুতি প্রদান করা হয়।
শ্রী শ্রী কেন্দ্রীয় তপোবন আশ্রম
আর্য ঋষি সনাতনী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
তপোবন আশ্রম সনাতনী ভক্ত ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আদর্শ আধ্যাত্মিক বিদ্যালয়। এখানে শাস্ত্র পাঠ, গীতা জ্ঞান, নীতিশিক্ষা ও সেবার বাস্তব দীক্ষা দেওয়া হয়।
শ্রী দুর্গাপূজা মণ্ডপ, তপোবন আশ্রম
তপোবন আশ্রমের ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রতিবছর সুবর্ণচরে জাঁকজমকপূর্ণ ও ভক্তিঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় শ্রী শ্রী শারদীয়া দুর্গোৎসব। এখানে হাজারো ভক্তের মিলনমেলা ঘটে এবং দেবী আরাধনার পাশাপাশি মহাপ্রসাদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।